ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১০৩ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

বিবিপি নিউজ,প্রদীপ ব্যানার্জি: “বিদ্যা সবথেকে বড় সম্পদ, বিদ্যা শুধু আমাদের নিজেদের উপকার করে না, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে গোটা সমাজের কল্যাণ সাধন করে।” এই মহান উক্তিটি স্মরণ করে বাংলা তথা ভারত বর্ষের অন্যতম সমাজ সংস্কারক, নারী শিক্ষার পথিকৃৎ পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিবস পালিত হলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের কাচুয়ামোড়ে।

অশোকনগর কল্যাণগড় শিশু উৎসব কমিটি, ২৬ শে সেপ্টেম্বর সোমবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১০৩ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করে শিক্ষক প্রসাদ দাশগুপ্তের নির্দেশনায় শিশু শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিশু উৎসব কমিটির সভাপতি মনীষী মোহন নন্দী।তার বক্তব্যে নারী শিক্ষার বিষয়ে বিদ্যাসাগরের ভূমিকার উপর বিশেষভাবে আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টাতেই বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছিল এবং স্ত্রী শিক্ষার অগ্রগতি হয়েছিল।অনুষ্ঠানের সভাপতি বিজন রতন ভট্টাচার্য তার বক্তব্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কার আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে শিশু শিল্পীরা কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনে করে। সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন সঙ্গম কালচারাল একাডেমির শিল্পীরা। শিশুর উৎসব কমিটির শিশু শিল্পীরা বিদ্যাসাগরের কথামালা গ্রন্থ থেকে নির্বাচিত গল্প নিয়ে নাটক পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হরিদাস কর ও তনয় মজুমদার। দর্শকদের উপস্থিতিতে সমগ্র অনুষ্ঠানটি সফল হয়ে ওঠে।